বাংলাদেশের রাজনীতি : সংলাপ কেনো এবং কার সঙ্গে

Category: মহানগর Published: Thursday, 19 February 2015 Written by Administrator

সুজাত মনসুর : বাংলাদেশের রাজনীতিতে বর্তমানে যে শব্দটি বেশ জোরেসোরে উচ্চারিত হচ্ছে সেটা হলো সংলাপ। একশ্রেণির রাজনীতিবিদ, সুশীল সমাজের একটা অংশ, সংবাদপত্রের কলাম লেখক, শিক্ষক-বুদ্ধিজীবী, ব্যবসায়ী, বিদেশী কূটনীতিক এবং দাতা সংস্থার প্রতিনিধি থেকে শুরু করে সবাই মনে করছেন বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনকল্পে একটি জাতীয় সংলাপের কোন বিকল্প নেই। অতি উত্তম কথা। শুনতে ভালোই লাগে। এছাড়া গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় সংকট সমাধানের জন্য আলাপ-আলোচনা বা সংলাপ একটি ভালো পন্থা। এই সংলাপ হোক তা দ্বিপাক্ষিক বা বহু পাক্ষিক, তা ফলপ্রসূ হোক আর না হোক। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, সংলাপ ফলপ্রসূ না হয়ে বরং আরো জটিলতার সৃষ্টি করে। এ বিষয়ে পরে আসছি।
উপমহাদেশের ইতিহাসে রাজনৈতিক সংলাপ নতুন কিছু নয়। অতীতে মহাত্মা গান্ধী ও জিন্নাহর মধ্যে সংলাপ হয়েছে। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে পাকিস্তানের লৌহমানব খ্যাত ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান নিশ্চিত পরাজয় জেনেও শেষ রক্ষাকবজ হিসেবে গোলটেবিল বৈঠকের নামে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপের আয়োজন করেছিল। আর ইয়াহিয়া-মুজিব-ভুট্টো সংলাপের কথা তো বাঙালি জাতির ভুলে যাবার কথা নয়। কোন সংলাপই সুফল বয়ে আনতে পারেনি। গান্ধী-জিন্নাহ সংলাপ যেমন ভারতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বন্ধে সহায়ক হয়নি, তেমনি আইয়ুবের গোলটেবিল বৈঠকও পাকিস্তানের তৎকালীন সংকট উত্তরণে কোন ভূমিকা রাখতে পারেনি। ১৯৭১ সালে বাঙালি নিধনের প্রস্তুতি গ্রহণের স্বার্থেই ইয়াহিয়া-ভুট্টো যে বঙ্গবন্ধুর সাথে সংলাপের নামে সময় ক্ষেপণ করেছিলো তা তো সবারই জানা।
বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে তেতাল্লিশ বছর অতিক্রান্ত হতে চললো। এই তেতাল্লিশ বছরে দেশ সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকটে পতিত হয় পঁচাত্তরের পনেরো আগস্ট। সেদিন বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে দেশ ও জাতিকে উল্টোপথে হাঁটতে বাধ্য করা হয়েছিলো। এরপর দেশ কখনোই পুরোপুরি রাজনৈতিক সংকট মুক্ত হতে পারেনি। তবে দেশে বারবার রাজনৈতিক সংকট দেখা দিলেও ২০০৬ সালের আগ পর্যন্ত এ সংকট থেকে উত্তরণের জন্য কোন রাজনীতিবিদ, সুশীল সমাজ, ব্যবসায়ী বা বিদেশীদের কাছ থেকে সংলাপের তাগিদ আসেনি এবং কেউ তার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছেন বলেও মনে হয় না। অথবা এটাও হতে পারে, তারা ওই সময়ে দেশে কোন রাজনৈতিক সংকট আছে বলে অনুভব করেননি বা করার প্রয়োজনীয়তা বোধ করেননি; কিন্তু ২০০৬ সালের শেষের দিকে আওয়ামী লীগ সহ ১৪ দল যখন বিচারপতি মাহমুদ হাসানকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে মেনে নিতে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার আব্দুল আজিজ গংদের অধীনে নির্বাচনে অংশ নিতে অস্বীকার করলো, তখনই চারদিক থেকে সংলাপের জন্য সোরগোল শুরু হয়ে গেলো। ফলে জাতি তৎকালীন বিএনপি মহাসচিব আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিলের মধ্যে সংলাপ নামক প্রহসনটি ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার বদৌলতে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। এছাড়া তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন কর্তৃক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান নির্ধারণের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে ধারাবাহিক সংলাপ নামক নাটকের কথাও নিশ্চয় আমরা ভুলে যাইনি।
রাজনৈতিক সংলাপের এতো তিক্ত অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও সংলাপ প্রিয় ব্যক্তিরা কিন্তু নিরাশ নন। বরং সংলাপ আয়োজন নিয়ে তাদের ধৈর্যের প্রশংসা না করে পারা যায় না। তারা এতদিন বিচ্ছিন্নভাবে বক্তৃতা, বিবৃতি, টকশো ও কলাম লিখনের মাধ্যমে এ ব্যাপারে তাগিদ দিয়ে এলেও, এখন রীতিমত বিশিষ্ট নাগরিকদের নিয়ে কমিটিই করে ফেলেছেন। ভাবখানা এই, অতীতে সফল হয়নি তো কি হয়েছে, এবার নিশ্চয় হবে। তা হতে পারে। তবে তার আগে সংলাপ কেনো এবং কার সাথে কার সংলাপ হবে তা সুনির্দিষ্ট করা দরকার। এরও আগে নির্দিষ্ট করা দরকার, সংলাপের বিষয় কি হবে। এটা যদি শুধু হয় সকল দলের অংশগ্রহণে একটি সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান তাহলে এ ধরনের সংলাপের সফলতা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ থাকার অবকাশ রয়েছে। সংলাপের অতীত ইতিহাস কিন্তু খুব সুখকর নয়।
এবার সাম্প্রতিক সময়ে সংলাপ বিষয়ে আলোচনা করা যাক। রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে সংলাপের কোন বিকল্প নেই বলে যারা মনে করছেন তাদের সাথে দ্বিমত পোষণ করার কোন কারণ নেই। দেশে যদি কোন রাজনৈতিক সংকট থাকে তা থেকে উত্তরণের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জাতীয় সংলাপ যে প্রয়োজন তাও অস্বীকার করার উপায় নেই। এমনকি ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পূর্বে তৎকালীন (এখনো) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে সংলাপে বসার জন্য নিজে ফোন করেছিলেন; কিন্তু খালেদা জিয়া সেদিন তার আহ্বানে সাড়া দেননি। এখন খালেদা জিয়া সংলাপের জন্য বারবার বলছেন; কিন্তু শেখ হাসিনার সাড়া পাচ্ছেন না। এটাই বাস্তবতা।
যাই হোক আগেই বলেছি, দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে যদি সংলাপের প্রয়োজন হয়, তা হতেই পারে। সংলাপ হোক ভালো কথা; কিন্তু এর আগে বেশ কিছু বিষয় ফয়সালা হওয়া প্রয়োজন। শুধুমাত্র সকলের অংশগ্রহণ একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য যদি সংলাপের কথা ভাবা হয়, তাহলে দ্বিমত পোষণ করার অবকাশ রযেছে। কেননা, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটের মূলে রয়েছে আরো বেশ কিছু উপাদান। যেমন মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত ও মীমাংসিত বিষয়গুলোকে সামনে নিয়ে আসা এবং বিতর্কিত না করা, যা অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি তারেক রহমান কর্তৃক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটাক্ষ করে বক্তব্য প্রদান এবং তার বক্তব্যকে খালেদা জিয়ার সমর্থন দান। তাই একটি ফলপ্রসূ সংলাপের জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন রাজনৈতিক দলগুলোর বিশেষ করে বিএনপির মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি বন্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করে কিনা তার প্রমাণ দেয়া। আপনি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি করবেন, স্বাধীনতার স্থপতিকে কটাক্ষ করবেন, পাশাপাশি রাজনৈতিক সংকট সমাধানের কথা বলবেন, তা হতে পারে না। এছাড়া রয়েছে স্বাধীনতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধী সংগঠন জামায়াতে ইসলামী প্রসঙ্গ। সংলাপের আগে এ বিষয়টিও ফয়সালা হওয়া দরকার। কেননা, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না, যুদ্ধাপরাধে যাদের বিচার হচ্ছে তাদের সাথে সংলাপ দূরে থাক, তাদেরতো বাংলাদেশে রাজনীতি করারই অধিকার নেই। সুতরাং আজকে যারা সংলাপের কথা বলছেন, তারা কি জামায়াতকে বাদ দিয়ে বিএনপিকে সংলাপে বসাতে রাজী করাতে পারবেন? আমার মনে হয়, বিষয়টি এতো সহজ নয়। আমার কেনো জানি বদ্ধমূল ধারণা যে, বিএনপির রাজনীতি এবং জামায়াতের রাজনীতি সমার্থক হয়ে গেছে। এছাড়া জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ এগুলোতো রয়েই গেলো।  
এছাড়া অতিসম্প্রতি হরতাল-অবরোধের নামে দেশে জ্বালাও-পোড়াও-মানুষ খুনের মহোৎসব চলছে। বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার মিশন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত যেভাবে মরিয়া ভাব ধারণ করেছে, তা যদি বন্ধ না করা হয়, তাহলে কি করেই বা বিএনপির সাথে সংলাপে বসা সম্ভব। যারা এ বিষয়টি অনুধাবন করছেন না তাদের সবার আগে তা বিবেচনায় নিয়ে আওয়ামী লীগ বা সরকারকে নয় বিএনপিকেই সংলাপের পরিবেশ তৈরির জন্য চাপ দেয়া উচিত।
তর্কের খাতিরে যদি ধরেই নেই যে, বিএনপি দেশের রাজনৈতিক সংকট উত্তরণের স্বার্থে জামাতকে বাদ দিয়ে এবং বঙ্গবন্ধুকে কটাক্ষ করে বক্তব্য দেয়ার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে (যদিও এর ক্ষীণতম সম্ভাবনাও নেই) এবং জ্বালাও-পোড়াও-মানুষ খুন বন্ধ ও হরতাল-অবরোধ প্রত্যাহার করে সংলাপে বসতে রাজি হয়ে গেলো। অথবা আওয়ামী লীগ সহ ১৪ দল অতীত সব তিক্ততা ভুলে গিয়ে বিএনপির সাথে সংলাপে বসতে রাজী হয়ে গেলো, তাহলেও কি রাজনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণ এবং সকল দলের অংশগ্রহণে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব?
সহজ উত্তর, না। বিএনপি-জামায়াত জোট সহ গত নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকা দলগুলোর মূল দাবিই হচ্ছে, বর্তমান সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয়-নিরপেক্ষ ব্যক্তির অধীনে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠান। বাস্তবতা হচ্ছে, সেই নিরপেক্ষ ব্যক্তিটিই খুঁজে বের করা। আমরা যদি প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ থেকে শুরু করে ফখরুদ্দিন আহমদ পর্যন্ত বিবেচনায় নেই, তাহলে দেখবো, কোন তত্ত্বাবধায়ক সরকারই সবার কাছে নিরপেক্ষতার বিবেচনায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি। যখনই যে দল হেরেছে, তারাই পক্ষপাতিত্ব ও কারচুপির অভিযোগ করেছে। আর তা যে অমূলক তা কিন্তু নয়। অন্ততঃ পক্ষে শাহাবুদ্দিন-লতিফুর সরকারের বেলায় তা প্রমাণিত। সুতরাং সংলাপের দাবি তোলার আগে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তি খুঁজে বের করা বাঞ্চনীয়।
গত দেড়মাস ধরে অবরোধ-হরতাল চলছে। পেট্রোলবোমা বা ককটেল দিয়ে শিশু-মহিলাসহ ৯০ জনের মতো মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। একটি অমিত সম্ভাবনার দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার সকল প্রকার প্রচেষ্টা নেয়া হয়ছে। অর্থাৎ নিরীহ মানুষ হত্যার মাধ্যমে খালেদা জিয়া ও বিএনপি-জামায়াত জোট যে নতুন করে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করলো তাতে করে এখন জনমনে প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক যুদ্ধাপরাধীদের সাথে যেমন সংলাপে বসা যায়না তেমনি খালেদা জিয়া সহ নব্য মানবতাবিরোধীদের সাথেও সংলাপে বসা উচিত কি না? জনগণের মনের ভাষা যে বিশিষ্ট নাগরিকেরা অনুধাবন করতে পারছেন না তা কিন্তু নয়। বরং তারা মরুভূমিতে মুখ বুঝে থাকা উটপাখির মতো তা শুনেও না শোনার ভান করছেন। তাদের উদ্দেশ্য পরিষ্কার, মূলতঃ তারা দেশের চলমান সংকটের গভীরে না গিয়ে যেনতেন প্রকারে একটা সমাধান খুঁজছেন। এখন তারা প্রকাশ্যে না বললেও বর্তমান সরকারকে পদত্যাগে রাজি করিয়ে বা সংবিধান সংশোধন করে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা পুনঃস্থাপিত করাতে পারলেই ষোলকলা পূর্ণ হয়, এক ঢিলে দুই পাখি বদ। একদিকে নিজেদের কেউ কেউ প্রধান উপদেষ্টা খেকে শুরু করে উপদেষ্টাদের পদগুলো পেতে পারেন। অন্যদিকে বিএনপি-জামায়াত জোটের পুনরায় ক্ষমতায় ফিরে আসার সমূহ সুযোগ সৃষ্টি করা হয়ে যাবে। তাও যদি সম্ভব না হয় তাহলে অন্ততঃ পক্ষে এটা প্রমাণ করা যাবে যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারই দেশের চলমান সংকট সমাধানে আন্তরিক নয়।
পরিশেষে একটা বিষয় পরিষ্কার করে লেখাটি শেষ করতে চাই। আমরা কেনো, দেশের সচেতন মানুষ মাত্রেই সংলাপের বিরোধী নয়। তবে সংলাপ হতে হবে সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে থেকে কিভাবে গণতন্ত্রকে আরো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া যায়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বুকে লালন করে কিভাবে অমিত সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করা যায় তার রূপকল্প প্রণয়নের জন্য। দেশে বর্তমানে যে সংকট চলছে তা যেহেতু রাজনৈতিক কোন সমস্যা নয়, সন্ত্রাসী ও জঙ্গি কর্মকাণ্ড সেহেতু এর সমাধানও খুঁজতে হবে দেশের প্রচলিত আইনের মাধ্যমে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ও বিচারের মাধ্যমে দুর্বৃত্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে। সে সংলাপে যারা অংশ নেবে তারা হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালনকারী সকল  শ্রেণিপেশার দেশপ্রেমিক সম্প্রদায়। রাজনীতিবিদ যেমন থাকবেন, তেমনি থাকবেন বুদ্ধিজীবী, ব্যবসায়ী, শ্রমিক-কৃষক প্রতিনিধি, ছাত্র-শিক্ষক এবং নারী সমাজের প্রতিনিধিরা। আর তা যদি করা সম্ভব হয় তাহলেই কেবল একটি সফল সংলাপ হতে পারে। যার মাধ্যমে প্রণীত হবে আগামীদিনের একটি উন্নতশীল গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার রূপকল্প।
সুজাত মনসুর : সাবেক ছাত্রনেতা ও কলাম লেখক।

Hits: 544